খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ও অবস্থান

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ও অবস্থান – যা দৈনন্দিন কর্মকান্ডে সহযোগিতা এর অন্তর্ভুক্ত।

খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ও অবস্থান

 

খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ও অবস্থান

 

সাধারণ পদ্ধতি

যদি গ্রাহক নড়াচড়া করতে পারে এবং গুরুতর অসুস্থ না হয়, তাহলে-

১। নিশ্চিত করতে হবে যে, অচলাবস্থায় গ্রাহক যেন মাথা, পিঠ ও ঘাড় সোজা করেও বসতে পারে। দরকার হলে পিছনে বালিশ দিয়ে পিছনের দিকে হেলান দিয়ে বসতে সাহায্য করতে হবে।

২। মাথা সামনের দিকে নিয়ে চিবুক সামান্য নিচু করতে বলতে হবে।

৩। প্যারালাইসিস ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে খাবার গলধকরণ করতে অসুবিধা হতে পারে। কারো কারো একপাশ বা
উভয় পাশই দুর্বল হতে পারে। যেপাশ বেশি দুর্বল সেই পাশে সাপোর্ট দিতে হবে।

৪। খাওয়ানোর সময় ব্যক্তির চোখের লেভেল বরাবর বা তার নীচে বসিয়ে নিতে হবে।

৫। খাওয়ানোর সময় ব্যক্তিকে ফিডিং গাউন পরিয়ে নিতে হবে।

৬। ব্যক্তির মুখে স্নায়ুজনিত কোনো দুর্বলতা থাকলে, অপেক্ষাকৃত সকল পাশে বসে খাওয়াতে হবে। ব্যক্তির মুখের অপেক্ষাকৃত সবল অংশে খাবার রাখতে হবে।

 

৭। ব্যক্তি নিজের হাতে খেতে পছন্দ করলে তার চোখের ভিজ্যুয়াল ফিল্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। এমনভাৰে তার সামনে খাবার রাখতে হবে যেন তিনি খাবারের স্থান বুঝতে পারেন ।

৮। শয্যাশায়ী ব্যক্তিদের বিছানার খাবার পরিবেশন করতে ট্রলি ব্যবহার করতে হবে।

 

খাওয়ানোর জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি ও অবস্থান

ব্যক্তির ডিজফ্যাজিয়া বা খাবার গলধকরণে সমস্যা বা মুখে স্নায়ুজনিত কোনো দুর্বলতা থাকলে নিম্নলিখিত
লক্ষণগুলো খেয়াল করতে হবে :

১। কাশি / দমবন্ধ, ২। অল্পষ্ট কন্ঠস্বর, ৩। খাবারের জন্য দীর্ঘ সময় নেওয়া / ঘুমিয়ে পড়া, ৪। খাওয়া বা পান করার সময় অসুবিধা, ৫। খেতে অনীহা, ৬। খাবার মুখে আটকে যাওয়া, ৭। পালে খাবার চেপে রাখা ৮। খাবার / গানীয় সুখ থেকে পড়া

Leave a Comment