আজকের আলোচনার বিষয়ঃ সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা হেল্থ স্ক্রিনিং। যা পেশেন্ট কেয়ার টেকনিক ১ এর সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা অংশের অন্তর্গত।

সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা হেল্থ স্ক্রিনিং
স্বাস্থ্য সেবাপ্রার্থী যেকোনো রোগী বাঁ ব্যক্তিকে প্রথমেই কিছু সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যার মাধ্যমে একজন সেবাপ্রদানকারী (Service Provider) রোগীটি সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা লাভ করে। এগুলোকে বলা হয় সাধারণস্বাস্থ্য পরীক্ষা বাঁ বেসিক হেল্থ স্ক্রিনিং যা রোগীর কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা বা রোগের প্রাথমিক অবস্থা সনাক্তকণের একটি কার্যকর উপায়, এমনকি যদি কোনো রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ নাও থাকে।
সাধারণ স্বাস্থ্যপরীক্ষা বলতে আমরা সাধারণত মানবদেহের চারটি মৌলিক লক্ষণ (vital signs ) যেমন : শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ির গতি বা হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস প্রশ্বাসের গতি (Respiration Rate) পরিমাপ করে থাকি। এছাড়াও আরো কিছু সাধারণ পরীক্ষা নিরীক্ষা যেমন শরীরের ওজন ও উচ্চতা, রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা পরিমাপ বা প্রস্রাবের প্রকৃতি বা পরিমাণ জানতে পারি।
এই পরীক্ষাগুলো হাসপাতাল বাঁ ক্লিনিকে সাধারণত ডাক্তার বা নার্সগণ পরিমাপ করে থাকেন। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী কেয়ারগিভারও পরিমাপ করতে পারেন। আবার বৃদ্ধাশ্রম কিংবা হোম কেয়ার সেটিংসে যেহেতু কেয়ারগিভারই রোগীর সার্বক্ষণিক সঙ্গী, সেহেতু এই বিষয়গুলো প্রাথমিকভাবে একজন কেয়ারগিভারকেই সঠিকভাবে পরিমাপ করে লিপিবদ্ধ করতে হয় এবং প্রয়োজনে চিকিৎসককে অবহিত করতে হয়।

তবে পূর্নাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষা বলতে এর চেয়ে আরো অনেক বেশিকিছু বুঝানো হয়, যেটি একজন ডাক্তারের নির্দেশনায় সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে রুটিন কিছু টেস্টও অন্তর্ভুক্ত। চিকিৎসকগণ রোগীর সমস্যা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে রোগ নির্নয় করে থাকেন। তবে এই অধ্যায়ে আমরা কেবল সাধারণ স্বাস্থ্যপরীক্ষা সম্পর্কিত জ্ঞান ও দক্ষতা অনুশীলন করবো যাতে করে কর্মক্ষেত্রে আমরা এই দক্ষতাগুলো পেশাদারিত্বের সাথে প্রয়োগ করতে পারি।